Wednesday, August 30, 2017

সু চি মিয়ানমার জনগণের বিশ্বাস হারাচ্ছেন

সু চি মিয়ানমার জনগণের বিশ্বাস হারাচ্ছেন



মিয়ানমারের গণতন্ত্রের মানসকন্যা তিনি। দীর্ঘদিনের কর্কশ মিলিটারি শাসনের অধীনে গোটা জাতিকে গণতন্ত্র জন্যে লড়াইয়ের মানসিক শক্তি জুগিয়েছিরেন অং সান সু চি। সেই গৃহবন্দি সময়ে সু চির পাশে সব সময় থাকতেন এক মেডিক্যাল শিক্ষার্থী। গণতন্ত্র আনার জন্যে যারা লড়ছিলেন, তাদের দিকে সব সময় তাক করা থাকতো চকচকে বন্দুকের নল। সু চির স্বপ্ন আর লড়াইয়ের প্রতি একনিষ্টভাবে বিশ্বস্ত ছিলেন সেই চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী মা থিডা। এই মানুষটি সু চির জন্যে এক নির্জন কারাকক্ষ ছয় বছর কাটিয়েছিলেন। রোগে ভুগে মৃত্যুর চেহারা দেখে ফিরেও এসেছেন।
এখন পরিপূর্ণ চিকিৎসক মা থিডা। তিনি ঔপ্যনাসিকও বটে। মানবাধিকারের পক্ষে তার যুদ্ধ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিকমানের সম্মাননাও এনে দিয়েছে তাকে। বর্তমানে মা থিডা তার আইকনিক ব্যক্তিত্ব সু চি-কে নিয়ে খুব বেশি কথা বলতে চান না।
তবে এক সময় তিনি সু চি-কে ‘আমার এমন এক বোন যিনি সর্বদা হৃদয়ের মাঝখানে থাকবেন’ বলেই তুলে ধরতেন।
কিন্তু এখন হৃদয়ের মধ্যে রাখা বোনটিকে নিয়ে মনে অনেক ক্ষোভ তার। তিনি শুধু একা নন। বছরের পর বছর ধরে যারা কারারুদ্ধ গণতন্ত্রের মুক্তির জন্যে সু চির পাশে ছিলেন, তারা সবাই হতাশ এবং ক্ষুব্ধ। মিয়ানমারের লংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর যে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস আর খুনোখুনি চলছে, তা নিয়ে নেত্রীর ‘এড়িয়ে চলা মনোভাব’কে সরাসরি দায়ী করছেন তারা। সাংবাদিক আর আন্দোলনকারীদের ধরে জেলে পোরা হচ্ছে। দেশটির এখন পর্যন্ত ক্ষমতাবাদ জেনারেলদের ভয়ে কাতর হয়ে থাকা সু চি কোনভাবেই আর গণতন্ত্রের পথে হাঁটছেন না। সেই সময়ের সু চিকে আর বর্তমানের সু চির মধ্যে দেখা যায় না। এই হতাশ ও বিক্ষুব্ধ মানুষগুলো বরং বলছেন, সু চি ক্ষমতার বলয়ে আবারো বড় ধরনের শূন্যতা সৃষ্টি করছেন তা পূরণে আবারো ঝাঁপ দিতে পারে মিলিটারি।




মা থিডা বলেন, নোবেল জয়ী সু চিকে এক সময় ‘মিয়ানমারের জোয়ান অব আর্ক’ বলে ডাকতাম। দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে নেলসন ম্যান্ডেলা কিংবা ভারতের কাছে মহাত্মা গান্ধী যেমন, আমাদের কাছে সু চিও ব্যতিক্রম নন। আমরা আমা করি না যে, তিনি বছর দেড়েকের মধ্যে গোটা দেশের ঝামেলা মিটিয়ে ফেলবেন। কিন্তু মানবাধিকার রক্ষায় শক্ত অবস্থান আশা করেছিলাম তার কাছ থেকে।
২০১২ সাল থেকে মিয়ানমারের ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা মুসলমান নিরাপত্তা বাহিনী আর পশ্চিমের সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধদের ধর্মান্ধ অংশের নৃশংসতার শিকার। তখন থেকেই তাদের ওপর অত্যাচর আর হত্যাযজ্ঞ চলছে। কিন্ত এ নিয়ে সু কির কোনো উপযুক্ত ও দৃশ্যমান পদচারণা নেই। এ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে চলছে সমালোচনা।
ইউএস-ভিত্তিক হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং জাতিসংঘের এক পরিসংখ্যানে বলা হয়, সহস্রাধিক রোহিঙ্গাকে হত্যা করা হয়েছে। ৩ লাখ ২০ হাজারের মতো রোহিঙ্গা বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের বসবাসের অযোগ্য ক্যাম্পগুলোতে অবস্থান করছে। হাজার হাজার রোহিঙ্গা জীবন বাঁচাতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশে পালাতে উত্তাল সাগরে পাড়ি দেন। সেখানে হচ্ছে সলিল সমাধি।
সম্প্রতি আবারো মানবাধিকারের ভয়াবহ লঙ্ঘন এবং নৃশংসতা মাথাচাড়া দিয়েছে দেশটিতে। রুখে দাঁড়াতে রোহিঙ্গাদের কিছু ছোট ছোট বিদ্রোহি গ্রুপ পুলিশ পোস্টে হামলা চালিয়েছে। এতে ১২ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য আর ৭৭ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু ঘটেছে। নেত্রীর অফিস থেকে বলা হয়েছে, সেনাবাহিনী এবং সীমান্তের পুলিশ ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’ শুরু করেছে। যারা রাখাইন রাজ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে চাইছেন, তাদের সেই প্রচেষ্টাকে নস্যাৎ করার অপচেষ্টা হিসাবে দেখছেন রোহিঙ্গাদের ছোট ছোট বিদ্রোহী দলকে।
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর এক বিশ্লেষক স্টেলা নাও ভলেন, রোহিঙ্গাদের প্রতি এই হিংস্র আক্রমণ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সেনাবাহিনী যে খেলা খেলছে, তা আমরা বুঝি। আবার যেহেতু মানুষের ভোটে তিনি (সু চি) নির্বাচিত প্রতিনিধি, কাজেই তার নিজ কর্মকাণ্ডের বিষয়ে জবাবদিহিতা রয়েছে।
যেসব স্থানে নৃশংসতা চলছে, সেখানে জাতিসংঘের তদন্তকারী একটি দলকে ঢুকতে দেয়নি সু চির সরকার। মানবাধিকার রক্ষা এবং ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নৃশংসতা দমনে সু চির শাসনামলের ব্যর্থতা কিংবা নিরবতা বিষয়ে আন্তর্জাতিক মহলের যে দৃষ্টিভঙ্গী, তাও প্রত্যাখ্যান করেছে সরকার।
গত ফেব্রুয়ারির এক প্রতিবেদনে পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ, শিশুদের আগুনে ফেলে দেওয়া এবং মুসলিম নারীদের সংঘবদ্ধ ধর্ষণের জন্য নিরাপত্তাবাহিনীকে দায়ি করা হয়। কিন্তু সু চির সরকার সাম্প্রতিক রক্তপাতের জন্যে ইসলামিক বিদ্রোহীদের দায়ি করছে।
এমনকি গত বছর সু চির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ধর্ষণের ঘটনাগুলোকে ‘মিথ্যাচার’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
মিয়ানমার বুক এইড অ্যান্ড প্রিভেনশন ফাউন্ডেশনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর থান্ট থাও কাউং বলেন, আমাদের দ্বিতীয় কোনো পথ খোলা নেই। মানুষ এখনও তার (সু চি) দল ও সরকারকে সমর্থন করে। তার কাছ থেকে মানুষের আশাবাদ কমাতে হবে। আসরে সমস্যা অনেক গভীরে প্রোথিত হয়ে রয়েছে।
এক সময় সু চি দৌর্দণ্ড প্রতাপশালী সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যাপক সাহসিকতার পরিচয় রেখেছেন। গৃহবন্দি থেকেছেন ১৫ বছর। তার ব্রিটিশ স্বামী ও দুই সন্তান থেকে বিচ্ছিন ছিলেন। তার ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) পার্টি ২০১৫ সালে বিশাল জয় ছিনিয়ে আনে।
সুশীল সমাজের থিঙ্ক ট্যাঙ্ক তাম্পাদিপা ইনস্টিটিউটের প্রধান খিন জ উইন। তিনি রাজনৈতিক বন্দি হিসাবে ১১ বছর জেলে জাটিয়েছেন। বলেন, যখন সু চি বিরোধীদলে ছিলেন তখন অত্যাচারের বিরুদ্ধে স্পষ্ট কথা বলতেন। প্রতিবাদে সরব ছিলেন। কিন্তু এখন হঠাৎ করেই তিনি নিরব হয়ে গেছেন। এখন মিয়ানমার গণতন্ত্রে ফিরে এসেছে। সবাই আশা করেন, এখন থেকে সবকিছুতে অনেকে উদানৈতিকতা দেখা যাবে। কিন্তু তা ঘটেনি।
কিন্তু তার কেন এমন পরিবর্তন? এই প্রশ্নের বিশ্লেষণ সোজা কথা নয়। অল্প কথায় তার ব্যাখ্যাও অসম্ভব। আসলে তিনি ট্র্যাজেডির এমন এক হিরোইন, যাকে অসম্ভব বৈপরিত্যের বিরুদ্ধে কাজ করতে হচ্ছে। তা ছাড়া স্বৈরাচারী সেনাবাহিনীর প্রতি নগন্য দুর্বলতাও থাকতে পারে। প্রায় সময়ই সু চি নিজেই বলেছেন যে, সেনাবাহিনীর গৌরবময় ঐতিহ্যের রক্ত তার দেহে প্রবাহিত। তার বাবা জেনারেল অং সান ব্রিটিশদের থেকে স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে বীরত্বের পরিচয় দিয়েছিলেন।
দেশের এক ব্যাঙ্গাত্মক ওয়েবসাইট ‘বার্মা থা দিন নেটওয়ার্ক’ বেশ কৌতুক করে সু চিকে নিয়ে লিখেছে, সু চির অফিস আসলে এখন একটা ক্লোন। যেখানে মিয়ানমার জেনারেলদের ভাড়া করা রাশিয়ান জিনবিজ্ঞানীরা সু চির গণতান্ত্রিক জিনগুলোকে বের করে নিয়েছেন।
থাও কাউং বলেন, তিনি কোনো টেবিলে বসে মিলিটারিদের সঙ্গে হাসিমুখে করমর্দন করতে পারেন, কিন্তু টেবিলের নিচে মিলিটারিরা তাকে লাথি মারে। মিলিটারিরা এখনও রাজনীতিতে রয়েছে। এখনও তারা সংবিধান নিয়ন্ত্রণ করে। তবে সু চি শুধু মিলিটারিদের বন্দি নন। অভাবটা রয়েছে মানবাধিকার রক্ষায় নৈতিকতার শক্তিশালী অবস্থানে। ক্ষমতাচক্রের বাইরে মিলিটারিকে নিয়ন্ত্রণের সমস্যা মোকাবেলায় সক্ষমতা দরকার। এরই মধ্যে আবার মিলিটারিরা ২০২০ এর নির্বাচনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছে।
মিয়ানমারে মানবাধিকার নিয়ে কর্মরত বার্মা ক্যাম্পেইন ইউকে’র মার্ক ফারমানের জানান, সু চি হয়তো রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে অনেক ক্ষেত্রেই অসহায়। কিন্তু দেশটিতে এমন অনেক স্থান আছে যেখানে নৃশংসতা থেকে নেই এবং সেখানে তার স্বাধীনভাবে কাজের সুযোগ রয়েছে। অথচ সেখানেও নিরব তিনি। অনেক সমস্যা জট বেঁধে রয়েছে যা সামলে নিতে বছরের পর বছর লেগে যাবে।
দলের ভিন্নমতাবলম্বী সদস্যদের বের করে দিয়েছেন সু চি। সংবাদমাধ্যমে খুব কম কথা বলেন। উপদেষ্টাদের কাছ থেকে পরামর্শ চাওয়ার বদলে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেন।
২৬ বছর ধরে মিয়ানমার শাসন করেছেন জেনারেল নি উইন। তার স্বৈরাচারী ও একরোখা মনোভাবের কারণে চারপাশে এমন মানুষগুলোই বিচরণ করতো যারা কেবল তার সিদ্ধান্তের প্রতি ‘হ্যাঁ-সূচক’ মন্তব্যই করতে পারতেন। সু চি মনে হচ্ছে ঠিক তারই পদানুসরণ করছেন। ক্ষমতার সর্বোচ্চ আসনে উঠে সু চি হয়তো ভাবেন, তিনি একাই সবকিছু এগিয়ে নিতে পারবেন।
স্টেলা নাও’য়ের মতে, সু চি জীবনের অনেকগুলো বছর বন্দি কাটিয়েছেন। পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন। এখন গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনে তিনি নিজেকে করেছেন জনবিচ্ছিন্ন। তিনি আবারো নিজেকে নিজেই বন্দি করেছেন। এখন তিনি যাদের হৃদয় ভেঙে চলেছেন তারা কি আর নেত্রীর জন্যে জীবন বিলিয়ে দেবেন?  সূত্র : ডন

ডিসেম্বরেই আসতে পারে ১০০০ টাকার নোট


গত বছরের নভেম্বরে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করেছিল নরেন্দ্র মোদী সরকার। এর পর থেকে দেশ জুড়ে খুচরোর সমস্যা দেখা দেয়। সে সময় থেকেই ১০০০ টাকার নোট ফিরিয়ে আনার দাবি উঠতে থাকে। সেই সমস্যার সুরাহা করতে গত বৃহস্পতিবার দেশের ইতিহাসে প্রথম বার ২০০ টাকার নোট চালু করে অর্থ মন্ত্রক। যদিও এখনই তা এটিএমে মিলছে না। তবে ২০০ ও ১০০০ টাকার নতুন নোট চালুর পর খুচরোর সমস্যা মিটবে বলেই আশা রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার (আরবিআই)। যদিও এ বিষয়ে কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি কেন্দ্রীয় সরকার।

২০০-র পরে এ বার নয়া চেহারার ১০০০ টাকার নোট বাজারে আনবে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। নয়া ডিজাইনের এই নোটে সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও উন্নত করা হয়েছে। ফলে তা নকল করা কঠিন হবে বলে জানা গিয়েছে। ঠিক কবে থেকে মিলবে ১০০০ টাকার নোট? ডিএনএ মানি-তে প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বরেই তা হাতে পেতে পারেন। শালবনি ও মহীশূরের ছাপাখানায় তা ছাপা হবে বলেও ওই

Monday, August 28, 2017

অতি যৌনতার অভিযোগ, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কুসুমের ‘নেশা’ সরানোর নোটিশ

অতি যৌনতার অভিযোগ, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কুসুমের ‘নেশা’ সরানোর নোটিশ

 

 

আপত্তিকর, যৌন উত্তেজক ও অশ্লীল দৃশ্য তৈরির অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশে আলোচিত মিউজিক ভিডিও ‘নেশা’ নিয়ে। ইউটিউবে প্রকাশের ১০ দিনে পরই ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে নেয়ার জন্য আইনি নোটিশ পেয়েছে ভিডিওটির সম্প্রচারকারীরা। গানটির ভিডিও এবং টিজার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ইউটিউব থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য রবিবার ই-মেইল, ডাক ও কুরিয়ারে প্রকাশক ও গানের মডেল কুসুম সিকদার এবং খালেদ হোসাইন সুজনকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন ঢাকার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আফতাব উদ্দিন সিদ্দিকী রাগিব। নোটিশে জানানো হয়েছে, মিউজিক ভিডিও ‘নেশা’ শুরুই হয় 'চোখে আমার তোমার নেশা, শ্বাসে আমার তোমার নেশা, সারা দেহে তোমার নেশা, রগে রগে তোমার নেশা, তোমায় পান করে...জ্ঞান হারাই, হই মাতাল’ এমন সব ‘উত্তেজক শব্দ’ দিয়ে। তার পর একের পর এক 'আপত্তিকর, যৌন উত্তেজক ও অশ্লীল' দৃশ্যও রয়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, ভিডিওটিতে ৫টি শাওয়ারের দৃশ্য, ৭টি সুইমিং পুলের দৃশ্য, ১টি শয্যাদৃশ্য ও ৩টি চুম্বন দৃশ্য রয়েছে। এছাড়া গানের কথার সঙ্গে দৃশ্যের কোনও মিল বা সংযোগ নেই। অভিযোগকারী জানিয়েছেন, অশ্লীল ভিডিও তৈরি প্রকাশনা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা এবং পর্নোগ্রাফি  আইন, ২০১২ এর ৮ ধারামতে দণ্ডনীয় অপরাধ।
এছাড়া দেশটির বিটিআরসি চেয়ারম্যান, তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সচিব, তথ্যসচিবকেও নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলেও জানা গেছে। তাদেরকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ‘নেশা’ ভিডিওটি সরানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে নোটিশে জানানো হয়েছে। এই নোটিশে ইউটিউব ও অনলাইনে মিউজিক ভিডিও’র  নামে আপত্তিকর ভিডিও তৈরি ও প্রকাশনা বন্ধে মনিটরিং ও আগামী এক মাসের মধ্যে বিভিন্ন অনলাইনে বিদ্যমান এমন ভিডিওগুলো সরানোর অনুরোধ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের কুসুম সিকদারের মিউজিক ভিডিও ‘নেশা’ চলতি মাসের ৩ তারিখ ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশের পর থেকেই ভিডিওটি নিয়ে গণমাধ্যম ও সোস্যাল মিডিয়াতে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। অবশেষে তা গড়ালো হলো আইনি নোটিশে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আফতাব উদ্দিন ছিদ্দিকী রাগিব গনমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘‘নোটিশ পাঠিয়েছি। অপেক্ষা করছি। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ভিডিওটি না সরালে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’’
এই বছরের মে মাসে জিৎ-নুসরাত ফারিয়ার 'বস টু' সিনেমার 'আল্লাহ মেহেরবান' শিরোনামের একটি আইটেম গান প্রকাশের পরও খোলামেলা পোশাকের অভিযোগে তা সরিয়ে নেয়ার জন্য আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলে সুপ্রিমকোর্টের এক আইনজীবী। সেই নোটিশের প্রেক্ষিতে গানটির কথা বদল করা হয়েছিল।
 Get all Business Address on AddressBD

প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার

প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার

 

যে কঠোর বিকল্পের কথাও ভাবছে আওয়ামী লীগ:
সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের পর্যবেক্ষণ থেকে ‘আপত্তিকর’ অংশ স্বেচ্ছায় বাতিল কিংবা রিভিউ আবেদনে এসব অংশ বাতিল হবে এমন সম্মতি চায় শাসক দল আওয়ামীলীগ। এ জন্য আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা করেছেন। তবে প্রধান বিচারপতি সিনহা সমঝোতায় রাজী না হলে কঠোর বিকল্প চিন্তাও রয়েছে ক্ষমতাসীনদের। এ জন্য আরো সময় নেবে শাসক দল। আওয়ামী লীগ নেতারা রায়ের পর্যবেক্ষণের বিভিন্ন অংশ নিয়ে ‘জনমত গঠনে’ প্রতিনিয়ত বক্তব্য-বিবৃতি দিচ্ছেন। রিভিও করার কথা বলা হলেও মন্ত্রী ও নেতারা প্রতিদিনই প্রধান বিচারপতিকে আক্রমন করতে ছাড়ছেন না। প্রধান বিচারপতির পদত্যাগও চেয়েছে সরকারের মন্ত্রীরা। বিচারপতি সিনহাকে আরো চাপে রাখার কৌশল হিসেবে রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে তাকে অপসারনের আওয়াজ ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এক মন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রধান বিচারপতির বিচারিক ‘অসদাচরণ’ ও ‘শপথ ভঙ্গের’ অভিযোগে নিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে অভিযোগ পাঠানোর বিষয়টি ভাবা হচ্ছে। তবে এ জন্য আওয়ামী লীগ আরো সময় নিবে। রাজপথের পাশাপাশি আইনিভাবেও প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণের’ কিছু অভিযোগ জোগাড় করছে সরকার। তবে এসব সাংবিধানিক বিষয়ে সরকার হুটহাট কিছু করতে চাচ্ছে না। বিচার বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগের মধ্যে যাতে কোনো জটিল অবস্থা বজায় না থাকে সে জন্য সরকার ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার পথে এগোনোর ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এ অবস্থায় পূর্ণাঙ্গ রায়ের পর্যবেক্ষণ নিয়ে আওয়ামী লীগের দাবি পূরণ করার সম্ভাব্য মসৃণ পথ খোঁজা হচ্ছে। তবে আপীল বিভাগের ৭ বিচারপতির সর্বসম্মত রায় কোনো রিভিউতে পরিবর্তন হওয়ার কোনো সম্ভবনা নেই, সেটা জানে শাসক দল। তেমন ঘটনাটি ঘটলে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রপতিকে তার সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য অনুরোধ করবে। সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলে তদন্তের জন্য রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেবে সরকার। তখন প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি বিষয়টি তদন্ত করার জন্য সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলকে নির্দেশ দিতে পারেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধান বিচারপতির ‘অসদাচরণ’ প্রমাণের জন্য বেশকিছু অভিযোগ যোগাড় করেছে সরকার। এর মধ্যে যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত একজন আসামীর পরিবারের সঙ্গে বৈঠক, আবেদনকারীর অনুরোধে আপিল বিভাগের বেঞ্চ পরিবর্তনসহ প্রধান বিচারপতির বিভিন্ন বক্তব্যের অডিও এবং ভিডিও জোগাড় করা হচ্ছে। তবে সুপ্রীম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পার করে বিচারপতি সিনহাকে অপসারন করা প্রায় অসম্ভব, সেটা সরকার জানে।
যদিও শাসকদলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা আশা করছেন, এক সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতির সমঝোতা হতে পারে, কিন্তু আলামত বলছে ভিন্ন কথা। সূত্র নিশ্চিত করেছে, উদ্ভূত বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলার জন্য রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ প্রধান বিচারপতিকে একাধিকবার বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। কিন্তু বিচারপতি সিনহা নিশ্চিত হয়েছেন যে, সেখানে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কেবল কথাই বলবেন না, পদত্যাগের অনুরোধও জানাতে পারেন রাষ্ট্রপতি। এমনকি অস্ত্রের মুখে বিচারপতি সিনহাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হতে পারে। এর ফলে গত এক সপ্তাহের চেষ্টায়ও প্রধান বিচারপতিকে বঙ্গভবনে নেয়া যায়নি। উপরন্তু রোববার প্রধান বিচারপতি আদালতে সরকারের এটর্নি জেনারেলকে পাকিস্তানের সুপ্রীম কোর্ট কতৃক সরকার পতনের বিষয়টি স্মরন করিয়ে দিয়েছেন। এর ফলে ষোড়শ সংশোধনীর রায় নিয়ে সরকার এবং প্রধান বিচারপতির মধ্যে টানাপোড়েনের পরিণতি সম্পর্কে সরকারের মধ্যে আতঙ্ক শুরু হয়েছে। তবে সমঝোতার পথ প্রায় রুদ্ধ হওয়ায় কঠোর পথ অবলম্বনের নিয়ে সরকার দ্বিধাগ্রস্থ। এর আগে সরকার প্রধান থেকে শুরু করে সরকারের নীতিনির্ধারকরা প্রধান বিচারপতিকে কিভাবে বাগে আনা যায় বা শক্ত হাতে দমন করা যায় তার বিশ্লেষন করতে দফায় দফায় বৈঠক করে যাচ্ছেন।
বিচারপতি সিনহার প্রস্তুতি
জানা গেছে, অনড় অবস্থানে আছেন প্রধান বিচারপতি সিনহা। সরকারের যত চাপই আসুক না কেনো তিনি নতি স্বীকার করবেন না। এর শেষ দেখে ছাড়বেন। বিশেষ করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রশ্ন কোনো আপোষ করবেন না তিনি। বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পথে যতটুকু অগ্রগতি হয়েছে, তা কিছুতেই নষ্ট হতে তিনি দেবেন না। এমনকি দলমত নির্বিশেষে উচ্চ সুপ্রীম কোর্টের উভয় বিভাগ এবং অধিকাংশ আইনজীবিরাও এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতিকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন। ফলে প্রধান বিচারপতি সিনহা তার পথে অবিচল থাকবেন এটাই ধরে নিচ্ছে সবাই।

নাফ নদীতে ভাসমান রোহিঙ্গা শিশু

নাফ নদীতে ভাসমান রোহিঙ্গা শিশু

 

 সোমবার নাফ নদীতে ভাসমান এক রোহিঙ্গা শিশুর ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে গেছে। শিশুটির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সম্প্রতি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নতুন করে সহিংসতা ও দমন-পীড়ন শুরু হয়েছে। সহিংসতার মুখে প্রাণ বাঁচাতে হাজারো রোহিঙ্গা বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে ছুটে আসছেন। তারা অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছেন। অনেকে অনুপ্রবেশ করতে সক্ষমও হয়েছেন। গেলো বছরের অক্টোবরে রাখাইনে একই কায়দায় দমন-পীড়ন শুরু হয়েছিল। তখন হাজারো রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে। এরই মধ্যে মিয়ানমারের কয়েক লাখ নাগরিককে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন অনুপ্রবেশে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর বর্বর নির্যাতন থেকে রেহাই পেতে সম্প্রতি পলায়নরত রোহিঙ্গাদের ওপর নোম্যান্স ল্যান্ডে গুলি চালিয়েছে মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিপি)। দেশটির সীমান্তরক্ষীদের গুলিতে বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে নারী ও শিশুরাও রয়েছেন। অনেকে নৌকায় অনুপ্রবেশের অপেক্ষায় ভাসমান আছেন। তবে সোমবার ফেসবুকে ভাইরাল ছবিটির বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। গেলো বছরের অভিযানের সময়ও কয়েকজন শিশু নিহত হয়েছিলেন। সেসময় এমনই একটি শিশু মাটিতে পড়েছিল যার সঙ্গে সিরিয়ার শরণার্থী শিশু আইলান কুর্দির মরদেহের সাদৃশ্য পাওয়া গেছে। শিশু হত্যার এই বিভৎস চিত্র দেখে অনেকেই মিয়ানমারের হাত থেকে রোহিঙ্গা শিশুদের উদ্ধারে দেশটিতে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

প্রধান বিচারপতিকে অপসারনের চেষ্টা ব্যর্থ

প্রধান বিচারপতিকে অপসারনের চেষ্টা ব্যর্থ

 
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে অপসারনের চেষ্টা করে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। এখন উল্টো সরকার পতন অত্যাসন্ন হয়ে পড়েছে। পর্দার অন্তরালে চলছে নানা আয়োজন।

ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর থেকে ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন। আগামী একাদশ নির্বাচন, নির্বাচনের রোডম্যাপ, নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ, নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থাসহ দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রায় সব ইস্যুই এখন চাপা পড়ে গেছে ষোড়শ সংশোধনীর বাতিলের রায়কে কেন্দ্র করে চলমান আলোচনা-সমালোচনায়। রায়কে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বধীন ২০ দলীয় জোটসহ ক্ষমতাসীন জোটের বাইরে থাকা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রধানেরা। আর এ রায়ে সংক্ষুব্ধ হয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দল।

যদিও ষোড়শ সংশোধনীর রায়কে কেন্দ্র করে সরকারের সঙ্গে প্রধান বিচারপতি তথা সুপ্রীম কোর্টের বিরোধ দৃশ্যমান, কিন্তু বাস্তবে এর কারন ভিন্ন। আর সেই ভিন্ন কারন রোধ করতেই প্রধান বিচারপতি সিনহাকে সরকার অপসারন করতে চায়। কারন তিনি বহাল থাকলে এ সরকার আর ক্ষমতায় থাকতে পারছে না, এমন খবর চাউর হয়ে যাওয়ার পরেই সরকার মরিয়া হয়ে উঠেছে। গতকাল বুধবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সঙ্গে আপোষের শেষ চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় সরকার। এমনকি রাষ্ট্রপতি নিজেও প্রধান বিচারপতিকে বঙ্গভবনে চায়ের দাওয়াতে ডেকে নিতে পারেননি। খবর রটেছিল, সেখানে গেলে বল প্রয়োগে প্রধান বিচারপতিকে পদত্যাগ করানো হতো। এছাড়াও প্রধান বিচারপতি সিনহা হিন্দু এবং ভারতপন্থী হওয়ায় ভারতীয় হাইকমিশনারকে দিয়ে দু’দফা অনুরোধ করে তােকে বাগে নিতে ব্যর্থ হয় সরকার। বিচারপতি সিনহা তার সিদ্ধান্তে অনড়, এবং তার সঙ্গে আছে গোটা সুপ্রীম কোর্ট।

গতকাল বিচারপতি সিনহাকে অপসারন করতে প্রধানমন্ত্রী হাসিনা সন্ধ্যায় ছুটে যান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের কাছে বঙ্গভবনে। আইনমন্ত্রী, আ’লীগ সাধারন সম্পাদক, এবং এটর্নী জেনারেলকে নিয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কয়েক ঘন্টাব্যাপি সভা করেও কোনো কুল কিনারা করতে পারেনি। এর কারন আইনগত বাধা। ষোড়শ সংশোধনী বাতিল হয়ে যাওয়ার পরে বিচারপতি সিনহা নিজ থেকে পদত্যাগ না করলে তাকে অপসারনের একমাত্র পথ হচ্ছে সুপ্রীম জুডিশিয়াল কাউন্সিল ব্যবহার করা। সেখানে বিচারপতি সিনহার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাঠালে আপীল বিভাগের তিন জন সিনিয়র বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত সুপ্রীম জুডিশিয়াল কাউন্সিল তা পরীক্ষা করে মতামত দিলেই কেবল রাষ্ট্রপতি ব্যবস্খা নিতে পারবেন, তার আগে নয়। বর্তমানে ঐ তিন বিচারপতি হলেন ওয়াহহাব মিয়া, সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, এবং ইমান আলী। এখানে মুশকিল হলো, ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ে প্রধান বিচারপতি সিনহার সাথে এরাও সাক্ষর করেছিলেন। যার ফলে এই রায় নিয়ে তাদের কাছেই কোনো অভিযোগ পাঠানো অর্থহীন। এসবের ফলাফল হলো বিচারপতি সিনহার অবস্থান অত্যন্ত শক্ত। তবে ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের কারনে সরকার যেভাবে বিচার বিভাগের উপরে আক্রমন করেছে, তা ক্ষমতা খাটিয়ে রাষ্ট্রের একটি অঙ্গহানি করে দেয়ার সামিল। এমন ঘটনা বাংলাদেশে নজিরবিহীন। বিশেষজ্ঞরা এহেন অবস্থাকে সরকারের চরম বাড়াবাড়ি ও ক্ষমাহীন অপরাধ হিসাবে দেখছেন। ২০০৭ সালে পাকিস্তানে এ ধরনের কান্ড ঘটাতে গিয়ে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিলেন সেনাশাসক জেনারেল পারভেজ মোশাররফ।

প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাকে যেহেতু একাধিক বার অপসারনের চেষ্টা করেছে বর্তমান ভোটবিহীন প্রশ্নবিদ্ধ সরকার, তার জবাবে প্রধান বিচারপতিও এই সরকারকে আর কোনো সুযোগ দেবেন না। এমনকি বিচার অঙ্গনে খবর ছড়িয়ে পড়েছে যে, আরেকটি রায় তৈরী করা আছে, কেবল ঘোষণা বাকী। আর এতে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বিনাভোটের ১৫৪ জন সদস্যকে অবৈধ ঘোষণা করা হবে। বিচারপতি সিনহার হাত দিয়েই এই রায় আসবে। তবে কোনো কারনে তার অসুবিধা হলে পরের জন অর্থাৎ বিচারপতি ওয়াহহাব মিয়া এই রায় ঘোষণা করবেন। এসব খবর সরকারও কম বেশী অবহিত, এবং তারা চেষ্টা করছে তা ঠেকিয়ে দেয়ার। তবে সুপ্রীম কোর্টের উপর শক্তি প্রয়োগ করা হলে সেনা শাসন চলে আসবে, এবং বর্তমান সরকারের মর্মান্তিক পতন হবে, সেটাও সরকার অবহিত।

ষোড়শ সংশোধনীর রায় একটি যুগান্তকারী রায়। ৭৯৯ পৃষ্ঠার এই রায়ে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশের চলমান সংকটের নির্ভরযোগ্য বর্ণনা এবং তা থেকে উত্তরনের পথ বাৎলে দেয়া হয়েছে। মূলত দীর্ঘ দিন ধরে চলা এই অনিয়ম, দুঃশাসন, ও জনগনের দুঃখ দুর্দশা, দেশী বিদেশী বিশেষজ্ঞ মতামত সব কিছুই পর্যালোচনা করে এই বিশাল রায় লেখা হয়েছে, যার পর্যবেক্ষণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন পয়েন্ট বলা হয়েছে। জানা গেছে, এই রায়ের পাশাপাশি দেশীয় সংকট সমাধানের একটি বড় পরিকল্পনাও কাজ করছে, যার সাথে জড়িত আছে কতিপয় প্রভাবশালী রাষ্ট্র, জাতিসংঘ, এবং বিশেষজ্ঞরা। এ পরিকল্পনাটি রাষ্ট্ররক্ষা বাহিনীর সাথে সমন্বয়ের সাথে করা হচ্ছে। এতে বাংলাদেশে রাজনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, সুষ্ঠু নির্বাচন, ও আইনের শাসন পূনঃপ্রতিষ্ঠার একটি মহাপরিকল্পনা রয়েছে। সূত্র মতে, সরকারের বাধাবিঘ্ন অতিক্রম করেই সঠিক পথেই আগাচ্ছে। 

Sunday, August 27, 2017

Jessore to Dhaka Air Ticket 2000

Jessore to Dhaka Air Ticket 2000 Taka!

Us-S-Bnagla Airlines and Bangladesh Airlines are giving discount for Eid Ul Azha. Jessore to Dhaka Air ticket only 2000 up to before Eid.

Next discount is coming  keep in touch.

See details on Ruposhi BanglaTours

Bangladewsh Air Force in hiring Airmen 2017

Be an Airman



BAF carry out airmen recruitment once in every year. In the month of May-Jun the advertisement is published in the national dailies (Mainly Prothom Alo, Ittefaq, Dainik Protidin and Kaler Kontho). The advertisement provides all related information about date and place of recruitment. Air force recruitment team from Information and Selection Center (I&SC) goes to six divisions of Bangladesh and conducts airmen recruitment. The team stays in the in each division for about seven days. The recruitment's are carried out as following locations :
Exam Center     Division
BAF Base Zahurul Haque, Chittagong     Chittagong
Govt Azizul Haque College, Bogra     Rajshahi & Rangpur
BAF Base Birsherestho Matiur Rahman, Jessore     Khulna
BAF Shaheen College, Moulvibazar     Sylhet Div
Information & Selection Centre, Tejgaon, Dhaka     Barisal Div

A special "Airmen Recruitment Test" is also held at the end of all divisional recruitment at I&SC Dhaka for the candidates who are not staying in the permanent address that is Home district/Hometown who are not staying at their home district and temporarily residing at Dhaka.
Keep an eye on the web all recruitment advertisements are also published in the BAF website.
Requirements
General Requirements:

    Age For Technical & Non-Technical Trade: Within 16 to 21years.
    Age For Education Instructor & Cypher Assistant Trade : Up to 28 years.
    Age For Music Trade : Up to 24 years.
    Nationality: Bangladeshi citizen.
    Marital Status: Unmarried except Education Instructor and Cypher Assistant trade.
    Physical Standard:


Height     162.56 cm (5’ 4’’)
Weight     50 Kg (110 Lbs)
Chest     76 - 81 cm (30"-32")
Eye     6/6 or According to the rules
Educational Qualification:

    For Technical Trade : Min GPA-2.5 in SSC (Science) or equivalent.
    For Non-Technical Trade : Min GPA-2.5 in SSC or equivalent.
    For Music Trade : SSC or equivalent.
    For Education Instructor & Cypher Assistant: Min 2nd Div in BSc/B Com/BA, Fazil (only for Religious Teacher) or equivalent.
    Or

    Min 2nd Div in Diploma in Computer Engineering/Computer Science/ Electrical Engineering/ Electronics Engineering / Communication Engineering/IT or equivalent

Conditions of Ineligibility:
      Candidates of the following categories are ineligible for enrolment as airmen:

    Dismissed from Army/Navy/Air Force.
    Dismissed/removed/discharged from Government services on disciplinary ground or forbidden from Government employment.
    Convicted in a Court of law for an offence involving moral turpitude or awarded imprisonment for any civil offence.

Special Qualification:

    For Technical Trade:Candidates passed from any technical institute will get preference.
    For Non-Technical Trade : Prominent players will get preference on submission of certificate
    at least district level competition in the respective field.
    For Music Trade: Candidates having proficiency in any musical instrument is to be given preference.
    Cypher Assistant: Having knowledge on Computer.


Initial Rank:

a.For Technical Non-Technical Trade :Aircraftman-1 (AC-1)
b.For Education Instructor & Cypher Assistant: Warrant Officer (WO).
Documents required with the Application Forms:

a.Certificates/provisional certificates, Testimonial and attested copies of all marks sheet.

b.Testimonial from respective head of the institutes mentioning permanent address and date of birth.

c.Nationality certificate from Counselor of City corporation / Municipal corporation/Chairman of Union Council.

d.Certificate from Govt approved technical institutes (if required).

e.Six copies of recent pass port size photograph duly attested by Class-I Gazetted Officer.

f. Character certificate from Class-I Gazetted Officer.

g. Attested copy of Birth Registration Certificate/ National ID Card.

h. Attested copy of certificate for dependent of Freedom Fighter from appropriate authority.

i. Certificate for Anser & VDP candidates from appropriate authority.

j. For Tribal candidates attested certificate issued by Deputy Commissioner (DC).

k. Attested copies of certificate for performance in sports/games at National/Division/District level (if any).

NOTE: Incomplete application form will not be accepted.

Period of Enrollment: Will be intimated through Daily Newspapers and BAF website-www.baf.mil.bd/recruitment
Also see: http://chakrirkhobor.net/bangladesh-biman-bahini-job-circular-august-2017/.

সরকারের লুটপাটের চিত্র তুলে ধরলেন প্রধান বিচারপতি

সরকারের লুটপাটের চিত্র তুলে ধরলেন প্রধান বিচারপতি

            
        ব্যাপক আর বিস্ময়কর উন্নয়ন উন্নয়ন বলে সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা এতদিন ধরে যে চাপাবাজি আর গলাবাজি করে আসছে, এবার এসব নিয়ে হাটে হাড়ি ভেঙ্গে দিলেন প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা।
সরকারের ব্যাপক উন্নয়নে বিএনপি-জামায়াত দিশেহারা। দেশের জনগণ যখন উন্নয়নের সুফল ভোগ করছে তখনই এই উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে বিএনপি-জামায়াত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। সরকারের উন্নয়ন ঠেকাতে তারা হরতাল-অবরোধের নামে মানুষ ও গাড়ি পুড়িয়ে নাশকতা সৃষ্টি করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা দীর্ঘদিন ধরে এমন বক্তব্যই দিয়ে আসছে। এমনকি এসব ভাসমান উন্নয়নকে বিস্ময়কর আখ্যা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও স্ত্রীকে এই উন্নয়ন দেখে যেতে বাংলাদেশে আসারও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
তবে, বিএনপি-জামায়াতের পক্ষ থেকে বরাবরই বলা হচ্ছে যে সরকার উন্নয়নের নাম করে লুটপাটে ব্যস্ত। আর সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের দুর্নীতি-লুটপাট নিয়ে এখন প্রায় প্রতিদিনই সংবাদপত্রে নিউজ ছাপা হচ্ছে। কিন্তু, সরকার এসব অভিযোগ সব সময়ই অস্বীকার করে আসছে। এবার উন্নয়নের নামে সরকারের দুর্নীতি ও লুটপাট নিয়ে মুখ খুলেছেন রাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি।
                টাঙ্গাইলে একটি অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা বলেছেন, বর্তমানে উন্নয়ন প্রকল্পে একশ টাকার মধ্যে ৪০ টাকার কাজ হয়। আর বাকী ৬০ টাকার কোনো হদিস থাকে না। এটা হলো বর্তমানে দেশের বাস্তব চিত্র।
প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা তার এ বক্তব্যের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন নিয়ে হাটে হাড়ি ভেঙ্গে দিয়েছেন বলে মনে করছেন সচেতন মানুষ। আর রাজনীতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রধান বিচারপতি এবার সরকারের নাড়ী ধরে টান দিয়েছেন। সরকারের দুর্নীতি-দু:শাসনের বাস্তব চিত্রটিই তিনি তুলে ধরেছেন।
তারা মনে করছেন, বিদেশে ৮০ হাজার কোটি টাকা পাচারের যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে এগুলো সবই রাষ্ট্রীয় সম্পদ। বিগত আট বছরে সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের নামে যে লুটপাট ও দুর্নীতি করে যে টাকা জমা করেছিল, সবই তারা বিদেশে পাচার করেছে। যদিও প্রধানমন্ত্রী এখন সাধু সাজার চেষ্টা করছেন।
অন্যদিকে ফ্লাইওভার নির্মাণেও লুটপাটের পসরা সাজিয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার। নির্মান কাজ সরকার পরিকল্পিতভাবেই নির্ধারিত সময়ে শেষ করেনি। লুটপাট করতেই সময়ের সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে পাঁচ দফা নির্মাণ ব্যয়। এ প্রকল্প থেকে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা। এখন আবার উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার মেট্রোরেল নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। অন্যান্য দেশের তুলনায় নির্মাণ ব্যয়ও ধরা হয়েছে কয়েকগুণ বেশি।
Get any business address on Address Bangladesh

 

কে এই বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ?

কে এই বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ?


     ২০০১ সালে ক্ষমতা থেকে বিদায়ের আগে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার তাঁকে হাইকোর্ট বিভাগে অস্থায়ী বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ দিয়েছিল। তাঁর ২ বছর অস্থায়ী মেয়াদ শেষে স্থায়ী বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ চুড়ান্ত করেছিল চার দলীয় জোট সরকার। আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতায় এসে তাঁকে হাইকোর্ট আপিল বিভাগে নিয়োগ দিয়েছে। এ সরকারই তাঁকে প্রধান বিচারপতি বানিয়েছে। খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম যিনি আগে আইন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। কামরুল ইসলাম স্পষ্ট করেই বলেছেন তাঁর নিয়োগ দেয়া হয়েছিল রাজনৈতিক বিবেচনায়। তাঁকে আপিল বিভাগ এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে রাজনৈতিক বিবেচনায়। সুতরাং আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তি বরাবরই আওয়ামী স্বার্থ রক্ষা করতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চেয়ারম্যান নিজামুল হক নাসিম স্কাইপ কথোপকথনে আহমদ জিয়াউদ্দিনকে বলেছিলেন-‘সিনহা বাবু কইছে ৩ডারে দিয়া লন। তারপর আপনারে আমরা এখানে নিয়া আসি’। তিনি আরো স্পষ্ট করে বলেছিলেন সেদিন ৩টা মানে গোলাম আজম, সাঈদী এবং সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী।

             আবদুল কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন কারাদন্ড হয়েছিল ট্রাইব্যুনালে। তার পরের ঘটনা সবারই কম বেশি জানা। নতুন আইন করে আপিল করেছিল সরকার। এই আপিলের শুনানীতে একজন মাত্র বিতর্কিত সাক্ষী মোমেনা বেগমের একটি বক্তব্য আমলে নেয় আপিল বিভাগ। এতেই আবদুল কাদের মোল্লাকে ফাঁসিতে হত্যা করার আদেশ দেওয়া হল। এই মামলার রিভিউ শুনানীতে আবদুল কাদের মোল্লার আইনজীবী আদালতের সামনে প্রশ্ন রেখেছিলেন এই বলে মোমেনা একই ঘটনায় ৩ জায়গায় ৩ রকম বলেছেন। এখন কোন মাফকাটিতে একটা বক্তব্যকে সত্য মনে করা হল। তখন সুরেন্দ্র কমারই উত্তর দিয়ে বলেছিলেন, আমাদের কাছে এর মধ্যে একটা বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়েছে। এজন্য ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়। অথচ সন্দেহাতীত প্রমান ছাড়া কাউকে ফাঁসি দেওয়া বিচারের বিধান নয়।
আরেকটি ঘটনা হচ্ছে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী দাবী করেছিলেন তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানে ছিলেন। পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন তখন তিনি। এ দাবীর স্বপক্ষে তিনি পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সনদ জমা দেয়া হয়েছিল। পাকিস্তানের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান থেকে শুরু করে বিশিষ্ট ৫জন আদালতে এসে সাক্ষী দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন। সাক্ষী দেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি শামিম হাসনাইন। ধরে নিলাম সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ভুয়া একটি সনদ জনা দিয়েছেন। কিন্তু বিচারের নীতি হচ্ছে সেটাকে পরীক্ষা নিরীক্ষা বা যাছাই বাছাই করে প্রমান করা। কিন্তু কোন রকমের যাছাই বাছাই ছাড়াই সনদ অগ্রাহ্য করা হয়। নাকচ করা হয় সাক্ষীদের আবেদন। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে ফাঁসিতে হত্যার হুকুম দেওয়া হয় সনদ ও সাক্ষী যাছাই করা ছাড়াই। সনদ ও সাক্ষীদের যাছাই করে তাঁকে হত্যার হুকুম দেওয়া হল অন্তত বলা যেত ন্যায় বিচারের মাধ্যমে তাঁকে দুনিয়া থেকে বিদায় করা হয়েছে। এই হল সুরেন্দ্র কুমার সিনহা।


লেখক: দৈনিক আমার দেশ-এর বিশেষ প্রতিনিধি, বর্তমানে যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত। ( আরবিএন)

Get all business address on Address Bangladesh

 

Saturday, August 26, 2017

গরুর আবাসিক হোটেল

গরুর আবাসিক হোটেল

 

ভূঞাপুরে দেশের বৃহত্তর গোবিন্দাসি গরুর হাটকে ঘিরে গরু ও মহিষের জন্য গড়ে উঠেছে আবাসিক হোটেল। আর এ আবাসিক হোটেলে রয়েছে গরু, মহিষ ও ছাগলের জন্য নির্ধারিত স্থান এবং থাকা খাওয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা।
ওই এলাকায় প্রায় দুই শতাধিক আবাসিক হোটেল গড়ে উঠেছে। এখান থেকেই গরু ও অন্যান্য পশু বিক্রির জন্য হাটে নিয়ে যাওয়া হয়।
জানা গেছে, গরুর ওই আবাসিক হোটেলে গরু রাখা বাবদ গড়ে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পাহাড়া বাবদ ঘরপ্রতি ২ থেকে ৩শ’ টাকা, রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৪০ থেকে ৫০ টাকা ও খাওয়া বাবদ ১শ’ টাকা দিতে হয়। এর বাইরে গোসলের জন্যও আলাদা টাকা দিতে হয়। এবারের কোরবানির ঈদকে সামনের রেখে এসব আবাসিক হোটেলগুলোতে তিল পরিমাণ ঠাঁই নেই।
স্থানীয়রা জানান, ৬০ এর দশক থেকে যমুনা নদীর তীরবর্তী ওই গোবিন্দাসি গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয় হাট। ধীরে ধীরে পরিচিতি পায় হাটটি। এ পরিচিতির সুযোগে ৭০ এর দশকে স্থানীয়রা হাটটিতে খুব অল্প পরিসরে শুরু করে গরু, ছাগল বেচাকেনা। নব্বই দশকে জমজমাট গরুর হাটে পরিণত হয় এটি।
সপ্তাহের রোববার ও বৃহস্পতিবার হাটটির দিন নির্ধারণ করা হয়। শুরুর দিকে মহাজনরা গরু এনে হাটের আশপাশের মানুষের বাড়ির সামনে জড়ো করে রাখতেন। আর ঝড়-বৃষ্টির সময় এসব বাড়ির গোয়াল ঘরেই জায়গা পেত পাইকারদের কিছু গরু।
বিনিময়ে তারা বাড়ির মালিককে দিতেন নামমাত্র কিছু অর্থ। টাকা রোজগারের এমন সহজ সুযোগ আর মহাজনদের চাহিদার কারণে হাটের আশপাশের বাড়ির মালিকরা তাদের খোলা জায়গায় গড়ে তোলেন টিনের ছাপড়া। ভাড়ার বিনিময়ে শুরু হয় সেখানে গরু রাখা। আর এসব টিনের ছাপড়াঘরের নাম দেয়া হয় আবাসিক হোটেল।
লাভজনক হওয়ায় দিনদিন বাড়তে থাকে এ হোটেলের সংখ্যা। হোটেলের গণ্ডি ছড়িয়ে পড়েছে গোবিন্দাসির আশপাশের খানুরবাড়ি, ভালকুটিয়া, কুকাদাইর, রাউৎবাড়ি, জিগাতলা, বাগবাড়ি, স্থলকাশি, মাটিকাটা, চিতুলিয়াপাড়াসহ ১০-১২টি গ্রামে। এর প্রতিটি হোটেলে গরু, মহিষ রাখার ধারণক্ষমতা ২০ থেকে ৩০টি। মজুদ থাকে খড়সহ পর্যাপ্ত পশুখাদ্য।
More details ekhon.net . Get business directory of Bangladesh on Address Bangladesh 

ষড়যন্ত্র ফাঁস করবো: প্রধান বিচারপতি

ষড়যন্ত্র ফাঁস করবো: প্রধান বিচারপতি



প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেছেন, সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা ও জেল হত্যা মামলার অনেক কিছুই তদন্তে উঠে আসেনি, তাই একদিন আমি লিখে সবকিছু প্রকাশ করে যাবো। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে ‘জুডিসিয়াল ইন্টারপ্রিটেশন গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যের সময় এসব কথা বলেন।
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেন, শোকের মাস চলছে। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা পরিচালনা করতে গিয়ে ব্যথিত হয়েছি। বাচ্চা ছেলে রাসেলকেও (শেখ রাসেল) পর্যন্ত হত্যা করা হয়েছে। এটা পশুর থেকেও …
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার তদন্তে ও প্রসিকিউশনে অনেক ত্রুটি ছিলো। বিচারপতি হওয়ায় তা বলতে পারিনি। এ নিয়ে আমি ভবিষ্যতে কিছু লেখার চেষ্টা করছি। জেল হত্যা মামলা ও বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা নিয়ে লিখবো। মামলা দুটিতে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ছিলো। ক্যান্টনমেন্ট থেকে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই ষড়যন্ত্রে যারা ছিলো তারা সবাই দায়ী। এরা ওই রাত্রে ষড়যন্ত্র করেছে, মার্চ করেছে। আমি লিখে যাবো। দেখিয়ে যাবো কারা কারা ছিলো (ষড়যন্ত্রকারী)। সেনাবাহিনীতে অনেকেই সুযোগ নিয়ে চলে গিয়েছে (দেশের বাইরে)। ওসব লিখে যাবো।

More detail ekhon.net . Get all business address on Address Bangladesh

Friday, August 25, 2017

ধর্মগুরুর যৌন নিপীড়ন মামলা, নিরাপত্তায় ৫৭ হাজার পুলিশ

ধর্মগুরুর যৌন নিপীড়ন মামলা, নিরাপত্তায় ৫৭ হাজার পুলিশ

 

 

ভারতের বিতর্কিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিমের বিরুদ্ধে আনা যৌন নিপীড়নের একটি মামলায় আদালত আজ দুপুরে রায় ঘোষণা করবে বলে কথা রয়েছে। তবে তার আগে পাঞ্জাব আর হরিয়ানা রাজ্য দু’টিতে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পনেরো বছর আগে নিজের আশ্রমেই দু’জন নারী ভক্তকে ধর্ষণ করার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। আদালতের রায় তাঁর বিরুদ্ধে গেলে গুরমিত রাম রহিমের লক্ষ লক্ষ ভক্ত আইন অমান্য করে দাঙ্গা-হাঙ্গামা বাঁধাতে পারে বলে প্রশাসনের আশঙ্কা। এর আগেও ওই সম্প্রদায় দাঙ্গা-হাঙ্গামা বাধিয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
গুরমিত রাম রহিমের ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নাম তাঁর আশ্রমের নাম অনুসারেই ডেরা সাচ্চা সৌদা। হরিয়ানার সিরসা শহরে ওই হাই-টেক আশ্রমটি অবস্থিত। রাজ্য দু’টিতে জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নেমেছে ৫৭ হাজার পুলিশ কর্মী – যাঁদের মধ্যে রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ যেমন আছে, তেমনই রয়েছে কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীও। সেনাবাহিনীকেও তৎপর থাকতে বলেছে প্রশাসন।
দুই রাজ্যের মধ্যে দিয়ে চলাচল করে এমন দু’শোরও বেশী ট্রেন পরবর্তী তিনদিনের জন্য বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। সব স্কুল-কলেজ আর প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। আগামী ৭২ ঘণ্টা মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছে। পাঁচকুলা আর চন্ডীগড়ের স্টেডিয়াম ও স্কুলগুলিকে প্রশাসন নিজেদের দখলে নিয়ে অস্থায়ী কারাগার তৈরি করেছে, যাতে প্রচুর সংখ্যায় ওই ‘গুরুজী’র ভক্তদের গ্রেফতার করতে হলে তাদের রাখার ব্যবস্থা করা যায়।
More details latestbdnews

Get business directory  for Bangladesh on Address Bangladesh

বৈঠকের পর প্রধান বিচারপতির মনোভাব পাল্টে গেছে




ষোড়শ সংশোধনী বাতিল রায় ও পর্যবেক্ষণ নিয়ে বিচার বিভাগ এবং সরকারের মধ্যে সৃষ্ট দূরত্ব কমানোর চেষ্টা চলছে। রায় ও পর্যবেক্ষণের ব্যাপারে রিভিউ করতে যাচ্ছে সরকার। সেজন্য আরো বেশ কিছু দিন সময় নেয়া হতে পারে। তবে রিভিউয়ের আগ পর্যন্ত বিচার বিভাগের ওপর নানামুখী চাপ অব্যাহত রাখা হবে। আওয়ামী লীগ ও সরকারের একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সূত্রগুলো জানায়, ষোড়শ সংশোধনী বাতিল রায় ও পর্যবেণ নিয়ে প্রধান বিচারপতির সাথে সমঝোতার জন্য একাধিক বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর বিকল্প পথ নিয়েই ভাবছিল সরকার। সেজন্য প্রধান বিচারপতির ‘অসদাচরণ’ ও ‘শপথ ভঙ্গ’ প্রমাণে বেশ কিছু অভিযোগ জোগাড় করে সরকার। এর মধ্যে যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত একজন আসামির পরিবারের সাথে বৈঠক, আবেদনকারীর অনুরোধে আপিল বিভাগের বেঞ্চ পরিবর্তনসহ প্রধান বিচারপতির বিভিন্ন বক্তব্যের অডিও এবং ভিডিও জোগাড় করা হয়। এমন প্রেক্ষাপটে শেষ চেষ্টা হিসেবে গত মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির সাথে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভীর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আর এ বৈঠকের পরই পাল্টে যায় দৃশ্যপট।

See more details on latestbdnews

ভারতের প্রতি প্রত্যাশা বাড়ছে বিএনপির

ভারতের প্রতি প্রত্যাশা বাড়ছে বিএনপির

 

 

নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য বিদেশিদের পাশে চায় বিএনপি। এক্ষেত্রে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের প্রতি প্রত্যাশা বাড়ছে দীর্ঘদিন সংসদের বাইরে থাকা এই দলটির। বিএনপির বিদেশনীতি নিয়ে কাজ করেন এমন কয়েকজন নেতা মনে করেন, ভারতের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর দেশটির বাংলাদেশনীতিতে পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে; যা এতদিন সদ্যবিদায়ী রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জীর কারণে অপরিবর্তিত ছিল।
ইতোমধ্যেই লন্ডনে বিজেপির একটি প্রতিনিধিদের সঙ্গে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের একটি বৈঠক হওয়ার গুঞ্জন উঠেছে। ওই বৈঠকে অংশ নিতে বিএনপির বিদেশি উইংয়ের আবদুল আউয়াল মিন্টু, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অংশ নিয়েছেন বলেও জানা গেছে। তবে বৈঠকের বিষয়টি অস্বীকার করে তারেক রহমানের একজন উপদেষ্টা জানান, ‘খালেদা জিয়ার সঙ্গে বিজেপির লন্ডনের বৈঠক হওয়ার খবর ভিত্তিহীন।’ যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক ও সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমদ জানান, এ ব্যাপারে কিছু জানা নেই।
সূত্রের ভাষ্য, বিএনপি নীতিগতভাবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছে। আর উন্নয়ন হচ্ছেও। সেটি বাংলাদেশে তিস্তার গেট আকস্মিক খুলে দেওয়াসহ দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির ঘনঘটায় স্পষ্ট। এদিকে, বিজেপির ব্রিটেন থেকে অর্থদাতা প্রভাবশালী একটি পক্ষের সঙ্গে বিএনপির এক ব্যবসায়ী নেতা ও তার ছেলের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। খালেদা জিয়ার এবার সফরের আগেই তারা বাবা-ছেলে লন্ডনে পৌঁছান। এসব কারণে খালেদা জিয়ার সঙ্গে লন্ডনে বিজেপির বৈঠকের গুঞ্জন ছড়িয়েছে বলে একটি সূত্র মনে করে।
Details: latestbdnews

 

Wednesday, August 9, 2017

প্রসবকালীন রক্তপাত বন্ধে এই স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ‘কনডম ক্যাথেটার টেম্পোনেড’

প্রসবকালীন রক্তপাত বন্ধে এই স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ‘কনডম ক্যাথেটার টেম্পোনেড’



সারাবিশ্বের মধ্যে ৩০ থেকে ৪০ বছর আগেও বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যু হার ছিল বেশি। এর অন্যতম কারণ ছিল প্রসব পরবর্তী রক্তপাত। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয়, ‘পোস্ট পারটাম হেমোরেজ’ বা পিপিএইচ। দেশে কয়েক বছর আগেও এই চিকিৎসা পদ্ধতি ছিল অত্যন্ত ব্যয়বহুল। কিন্তু এটাকেই হাতের নাগালে নিয়ে আসেন ডা. সায়েবা আখতার। প্রসবকালীন রক্তপাত বন্ধে এই স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ‘কনডম ক্যাথেটার টেম্পোনেড’ ব্যবহারের মাধ্যমে এক পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন যা বিশ্বব্যাপী সায়েবা’স মেথড হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এটি তার নামেই নিবন্ধিত। অথচ সম্প্রতি এই পদ্ধতি আবিষ্কারের অর্জনের কৃতিত্ব দেওয়া হচ্ছে আরেক দেশকে। এটাকে গণমাধ্যমের ব্যর্থতা বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ডা. সায়েবা আখতার
ডা. সায়েবা আখতার
অধ্যাপক ডা. সায়েবা আখতার এখন অবস্থান করছেন ইন্দোনেশিয়ায়। সেখানে সায়েবা’স মেথড অর্থাৎ ‘কনডম ক্যাথেটার টেম্পোনেড’ নিয়ে অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে প্রশিক্ষক হিসেবে অংশ নিচ্ছেন তিনি। গত ৬ আগস্ট বাংলা ট্রিবিউনকে নিজের উদ্ভাবনের ইতিহাস জানিয়েছেন এই স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ।
২০০০ সালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের গাইনি ও অবস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত ছিলেন ডা. সায়েবা। বিভাগীয় প্রধান হিসেবে তিনি দেখছিলেন, প্রসব পরবর্তী সময়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মারা যাচ্ছেন মায়েরা। এছাড়া জরায়ু কেটে ফেলতে হয় বলে পরবর্তীতে মা হওয়ার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হন অনেকে।
অতীতের স্মৃতি হাতড়ে ডা. সায়েবা বলেন, “একদিন আমার সামনেই দু’জন মা প্রসব পরবর্তী রক্তক্ষরণে মারা যান, কারণ তাদের রক্তক্ষরণ থামানো যায়নি। তখন আমার মনে হলো, গ্রামে শিশুরা বেলুন ফুলিয়ে খেলে, সেই বেলুনের মধ্যে যদি পানি ঢুকিয়ে জরায়ুতে দেওয়া যায় তাহলে কী মায়েদের বাঁচানো যাবে কিনা। কারণ রক্তচাপ বন্ধে প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে জরায়ুতে চাপ দেওয়া। কিন্তু রক্তপাত হওয়ার সময় চাপ দেওয়া যায় না।”
প্রশংসিত এই অধ্যাপকের ভাষ্য, “পরের দিনই হাসপাতালে গিয়ে দেখি, রক্তপাত থামাতে না পেরে এক নারীর জরায়ু কেটে ফেলতে বাধ্য হচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাদের আমি থামালাম। চিকিৎসকদের বললাম, ইউটেরাস ফেলো না এখনই। একটু সময় দাও আমাকে। কারণ রক্তপাত বন্ধের প্রধান উপায় হচ্ছে চাপ দেওয়া। কোনোভাবে জরায়ুর ভেতরে কিছু দিয়ে চাপ দিলে রক্তপাত বন্ধ হবে। সেই প্রথম ‘কনডম ক্যাথেটার টেম্পোনেড’ ব্যবহার করলাম এবং ১০ মিনিটের মধ্যে তার রক্তপাত বন্ধ হয়ে যায়।”
এরপর অন্যান্য সহকর্মীকে নিয়ে ২৩ জন রোগীকে এই চিকিৎসা দেন ডা. সায়েবা। তাদের প্রত্যেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন বলেও জানান তিনি। তারপর থেকে এই আবিষ্কারের ফলে উপকৃত হয়েছেন লাখো প্রসূতি মা।
পদ্ধতিটি কীভাবে কাজ করে জানতে চাইলে অধ্যাপক ডা. সায়েবা আখতার বাংলা ট্রিবিউনকে জানান— একটি ক্যাথেটার (প্রস্রাবের রাস্তার নল), একটি কনডম, একটু সুতা, একটি স্যালাইন সেট এবং একটি স্যালাইন দরকার হয়। ক্যাথেটারের মাথায় কনডমটি সুতা দিয়ে প্যাঁচিয়ে লাগিয়ে ক্যাথেটারের অন্য মাথায় স্যালাইন সেটের মাধ্যমে লাগানো হয় স্যালাইন। তারপর কনডমযুক্ত ক্যাথেটারের মাথা প্রসবকারী নারীর জরায়ুতে ঢুকিয়ে জরায়ুর ভেতরে কনডমটি ফুলিয়ে দেওয়া হয়। ফলে কনডমটি জরায়ুর ভেতরে ফুলে জরায়ুগোত্রে চাপ দেয় এবং এই চাপের কারণেই জরায়ুর ভেতর থেকে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়।
অধ্যাপক ডা. সায়েবা আরও বলেন, ‘হাত-পা কিংবা শরীরের কোথাও কেটে গেলে সেখানে চাপ দিয়ে ধরলে যেমন রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়, ঠিক সেই একই পদ্ধতিতে এই মেথড কাজ করে। আমাদের দেশে শতকরা ৩১ শতাংশ মাতৃমৃত্যু হয় এই প্রসব পরবর্তী রক্তক্ষরণে, কিন্তু এ পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে তা অনেকটাই কমে এসেছে। মাত্র ১০০ টাকার মধ্যে এর খরচ হয় বলে যে কোনও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা কমিউনিটি ক্লিনিকে এটি সহজেই ব্যবহার করা যায়। প্রসব পরবর্তী সময়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের সময় কনডমে স্যালাইন প্রবেশ করিয়ে ব্যবহার করা হলে অল্প সময়ে রক্তক্ষরণ থেমে যাবে, ফলে বেঁচে যাবে মায়ের প্রাণ আর কাটতে হবে না জরায়ু।’
২০০৩-২০০৪ সালে ইর্ন্টান হিসেবে এই কাজে সহযোগী ছিলেন বর্তমানে ইব্রাহিম কার্ডিয়াক মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের (বারডেম) ভাসকুলার সার্জন ডা. সাকলায়েন রাসেল। তিনি জানান, প্রসব পরবর্তী রক্তপাত বন্ধে অধ্যাপক ডা. সায়েবা বিদেশ থেকে ১৮ হাজার টাকা মূল্যের একটি ডিভাইস আনেন। কিন্তু তখন এত টাকা দিয়ে এই ডিভাইস কেনার মতো সামর্থ্য সবার ছিল না। এটি আবার একবার একজন নারীর চিকিৎসাতেই ব্যবহার করা যায় এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আছে নানা ধরনের।
বারডেমের এই ভাসকুলার সার্জন বলেন, “২০০৩ সালে ‘ইউজ অব কনডম টু কন্ট্রোল ম্যাসিভ পোস্টপার্টাম হেমোরেজ’ শিরোনামে মেডস্কেপ মেডিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত হয় ডা. সায়েবার চিকিৎসা পদ্ধতি। পরবর্তীতে মূল রিসার্চ পেপার হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব গাইনি অ্যান্ড অবসে এবং ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নালে রিভিউ আর্টিকেল হিসেবেও প্রকাশিত হয় এটি। বিশ্বব্যাপী এটি পরিচিতি পায় সায়েবা’স মেথড হিসেবে।”
ইংল্যান্ডের রয়েল কলেজ থেকেও ফিস্টুলা এবং এই পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য তাকে যৌথভাবে অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয় বলে জানালেন ডা. সাকলায়েন রাসেল। তার ভাষ্য, “আন্তর্জাতিকভাবে ৯৯ সেন্ট আর বাংলাদেশি মাত্র ১০০ টাকার মাধ্যমে ‘সায়েবা’স মেথড’ দিয়ে একজন মায়ের জীবন রক্ষা করা সম্ভব। বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, শ্রীলংকা, কানাডায় ব্যবহৃত হচ্ছে এই ‘সায়েবা’স মেথড।’ কেনিয়ায় এই মেথড নিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এক ধাত্রী। অথচ তাকেই এই পদ্ধতির আবিষ্কারক বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বরাতে প্রচার করা হচ্ছে। বাংলাদেশি চিকিৎসকের সাফল্য এভাবে ঢাকা পড়ে যাওয়া দুঃখজনক।”
আন্তর্জাতিকভাবে নানা জার্নালে সায়েবা’স মেথড প্রকাশিত হলে বিভিন্ন দেশের চিকিৎসকদের এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ডা. সায়েবা আখতারের মাধ্যমে। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে এই মেথড নিয়ে এফসিপিএস ডিজার্টেশন, এমএস থিসিস, পিএইডডি থিসিস আছে। এসব তথ্য জানিয়ে তার সঙ্গে কাজ করা মোশাররেফ সুলতানা সুমি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের চিকিৎসকদের নিয়ে আন্তর্জাতিক জার্নাল প্রকাশিত হয়, অথচ সেই কাজের জন্য আমরা স্বীকৃতি দেই আরেক দেশকে, এটা আমাদের দুর্ভাগ্য।’

Saudia Airlines warn passengers of strict dress code

Saudia Airlines warn passengers of strict dress code

Some may not be surprised to see a strict dress code on Saudi Arabian planes, since the country follows a conservative version of Sunni Islam, but others on social media think it has gone too far.
Known as one of the wealthiest nations in the Middle East, Saudi Arabia also has a reputation of restricting women's rights, in line with its interpretation of Sunni Islam, Wahhabism.
Details of the dress code featured on Saudia Airlines website show that the airline requires guests to dress in a way that does not 'cause offense or discomfort to other passengers'.

When the Saudi Makkah newspaper asked the former head of tourism and health, Ali Al Ghamdi, about the rules forbidding women from exposing limbs or wearing tight or transparent clothes he said they did not just apply to the one airline, but that many airlines around the world had a dress code at varying degrees.

You might also get all air ticket on Ruposhi Bangla Tours:

There was mixed reaction on social media, as people used the hashtag #SaudiaAirlines. One man tweeted that it was a positive move for the airline, which bars alcohol on all its flights and provides prayer areas for passengers. While another agreed with the implementation of the code: "I am not obliged to see such clothing in public spaces, great decision on the part of the airline":

 

First domestic Air Ticket issue of US-Bangla Airlines

First domestic Air Ticket issue of US-Bangla Airlines


Ruposhi Bangla Tours, Khulna office started domestic and International air ticket from Khulna. You can get any ticket from us. We are providing lowest price from others. We can give assurance if you get lower price ticket from us we will take more low. Our first domestic Air Ticket from US-Bangla Airlines.

We have all major airlines ticket for whole the world.
Thanks for reading the content.

Tuesday, August 8, 2017

India media storm over 10-year-old pregnant rape victim


A 10-year-old girl who is pregnant and has been refused an abortion is at the centre of a media storm in India. The BBC's Geeta Pandey travelled to the northern city of Chandigarh to piece together her story.
"We have seen lots of cases of teenage pregnancies involving 14 to 15-year-olds, but this is the first ever case that I have seen of a 10-year-old," said Mahavir Singh, of the Chandigarh State Legal Services Authority.
Mr Singh has been involved in a case which has shocked Chandigarh and the rest of India, that of a 10-year-old girl who became pregnant after allegedly being repeatedly raped by a relative.
That relative is now in jail, pending trial.
The girl in question has been described as a happy child who smiles easily. She's shy and not very talkative. English and mathematics are the favourite subjects of this class six student. She loves to draw and is pretty good at it. She can't get enough of her favourite cartoon shows Chhoti Anandi (Little Anandi) and Shin Chan. She loves chicken and fish - and ice-cream.
But on 28 July, India's Supreme Court rejected a petition - filed on her behalf - to allow her to abort, on the grounds that at 32 weeks, she is too far into her pregnancy. A doctors' panel had advised the court that a termination at this stage would be "too risky" for the girl, and that the foetus was "doing well".
The court order was a huge disappointment for the girl's family.

'She has no idea what happened'

Indian law does not allow terminations after 20 weeks unless doctors certify that the
mother's life is in danger.
But in recent years, the courts have received several petitions, many from child rape survivors, seeking to terminate pregnancies after 20 weeks. In most cases, these pregnancies are discovered late because the children are not aware of their condition.

The Swedish physicist revolutionising birth control computer programme









Inventing the first app in the world to be approved as a contraceptive started as a hobby project for Elina Berglund Scherwitzl.
The nuclear physicist, who'd been working on the team that discovered the Higgs boson, was tired of using hormonal contraception but wasn't ready to have a baby.
So the Swede set about using her data skills to find an alternative.
"Like many women I had tried many different contraception options since my teenage years and hadn't really found a solution that fit me," she explains.
"It was in my quest for an effective natural alternative that I discovered that you can see when you're fertile by your temperature, and for me that was really a revelation."
Using complex mathematics and data analysis, Mrs Berglund Scherwitzl began developing an algorithm designed to be so precise it could pinpoint exactly when in her cycle she would ovulate.
This enabled her to map out the days when she would need to use protection, to a much higher degree of certainty than similar "rhythm" or natural planning methods.

Close monitoring

She was so pleased with the results that, together with her Austrian husband, fellow physicist Raoul Scherwitzl, she set about founding her own business called Natural Cycles.
It offers an app designed to help women around the world with their fertility and contraception needs, by allowing them to collect their own temperature data sets and closely monitor their cycle trends.
 
Mrs Berglund Scherwitzl was tired of using birth control but not ready to have baby
Launched in 2014, it now has some 300,000 users, who pay a monthly or annual fee for the service. In the UK a yearly deal costs £50, which includes the cost of a thermometer.
The company has attracted $8m (£6.1m) in investment and has so far made sales of more than $6m.
However, if it wasn't for the timing of another large scientific discovery, the project may not have got off the ground so quickly.
Mrs Berglund Scherwitzl, who was raised in Malmo in southern Sweden, had been working at Cern, the Geneva-based European Organization for Nuclear Research. In 2012, after decades of research, the team she was part of finally found the Higgs boson particle, crucial to our understanding of how the universe works.

The Berlin mosque breaking Islamic taboos (bbc.com)

With its red-brick spire and stained-glass windows, St Johannes looks like any other 19th-Century Protestant church.
Go around the back, however, head up a few flights of stairs and you come to a simple white room, with shoes neatly laid out at the entrance and patterned prayer rugs folded away in a corner. That is because this is a mosque.
The room is being rented from the parish, while the church remains active.
But the mosque is not unusual because of its location. Rather, because of the people who come here. At Berlin's newest mosque, men and women pray together, women are allowed to lead Friday prayers, an
d gay, lesbian and transgender people are welcome.
"Our mosque is open for everybody," says mosque founder Seyran Ates, a German Turkish-born lawyer and women's rights activist.
"And we mean that really seriously: everybody, every lifestyle. We are not God. We don't decide who's a good or a bad Muslim. Anybody can come through this door - whether you are heterosexual or homosexual, we don't care, it's not our right to ask."

Reforming Islam

The Ibn Rushd-Goethe mosque is part of a growing movement known as inclusive Islam.
There are now liberal Muslim communities and inclusive mosques all over the world - some in private homes, others in changing locations - but Ms Ates says the Berlin mosque is a major step forward for inclusive Islam, because it is the first permanent liberal mosque, with a sign on the door, open to anyone.

Monday, August 7, 2017

Iran MPs under fire for 'embarrassing' selfies with Mogherini



Members of the Iranian parliament have found themselves under fire for "strange" behaviour involving the EU's top diplomat, Federica Mogherini.
She was in Iran for President Hassan Rouhani's inauguration on Saturday when she found herself the centre of attention on the parliament floor.
Photos showed Ms Mogherini surrounded by a number of male MPs, taking photos.
Many social media users criticised the MPs, ridiculing them or labelling their actions "humiliating".
The Fars news agency posted a photo which many social media users felt showed Ms Mogherini unimpressed - and labelled the MPs' behaviour "strange".



Sunday, August 6, 2017

See some imporant advice




1) subah ke waqt ka sona risq ko rokta hai
2) baat karne sey pehle salaam kiya karo
3) paaki aadha imaan hai
4) wazu namaz ki kunji hai
5) namaz deen ka sutoon hai
6) dua ibadat ka maqsad hai
7) quran ki tilawat behtareen ibadat hai
8) roti ki izzat kiya karo
9) bazaar mey khana halkepan ki nishaani hai
10) pani dekh kar piya karo
11) ilm ka hasil karna har musalmaan mard aur aurat par farz hai
12) haya imaan ka juz hai
13) saaf sutre raho kyunki islaam saaf sutra mazhab hai
14) maa ke kadmon ke neeche jannat hai
15) baap jannat ke darwaazon mey sey beech ka darwaaza hai
16) chacha ka martaba baap ke barabar hai aur khala ka maa ke barabar hai
17) padosi ka bhi haq hai
18) jo badon ki izzat nahi karta wo hum mey sey nahi hai
19) ek musalmaan dusre musalmaan ka bhai hai
20) acchi baat karna neki hai
21) jisne badzubaani ki usney zulm kiya
22) khush-khulki aadhi deen hai
23) jo logon par raham nahi karta khuda uss par raham nahi karta
24) maaf karna badi daulat hai
25) jo guroor karta hai allah tala usko giraa deta hai
26) jo allah tala ke waaste aajizi ikhtiyaar karta hai allah tala usko buland karta hai
27) zyada hasi dil ko murda kar deti hai
28)sach baat kaho agarche wo kadvi maloom ho
29) jhoot risq ko ghata deta hai
30) gussa sey parhez karo
31) geebat katal sey badhkar hai
32)chugalkhori jannat mey dakhil na hoga
33) sabr sabsaath allah ki madad hoti hai
34) amaanatdaari izzat ka sabab hai
35) waada farz ke barabar hai
36) jannat sakhi logon ka ghar hai
37) bakheel log jannat mey daakhil na honge
38)raat mey bhooke sona kamzoor kardeta hai
39) jaisa karoge waisa bharoge
40) ba wazu soya karo...

Ek baar ye zaroor padhe or agey zaroor bheje
Kya pata aapki wajah sey ye hadees koi muhzubaani yaad karle.

Friday, August 4, 2017

The best Husband finding shop for female

নিউইয়র্ক-এ সম্প্রতি একটা শো-রুম চালু হয়েছে। যেটার নাম হলো "Husband ফর Sale.
এখানে বিভিন্ন ধরনের পুরুষরা রয়েছেন, মেয়েরা এখান থেকে নিজের পছন্দ অনুযায়ী পতি পছন্দ করতে পারবে।
.
সেখানের নিয়ম হলো--
১) যে কোন মহিলা সেখানে একবারই মাত্র প্রবেশাধিকার পাবেন।
২) এখানে ৬ টি ফ্লোর আছে এবং মহিলারা যে কোন ফ্লোর থেকে নিজের পতি নির্বাচন করতে পারেন।
তবে ২য ফ্লোর অতিক্রম করে ৩য় ফ্লোরে গিয়ে যদি পতি পছন্দ না হয়, তাহলে ঐ মহিলা তার উপরের ফ্লোরে যেতে পারেন, কিন্তু যে ফ্লোর তিনি ইতিমধ্যে অতিক্রম করে চলে গেছেন সেখান থেকে আর পতি নির্বাচন করতে পারবেন না। অর্থাত উপরের ফ্লোরের পতি পছন্দ না হলে পুনরায় নিচের ফ্লোরে এসে পতি পছন্দ করা যাবে না।
.
.
.
এক মহিলা গেছেন নিজের জন্য পতি পছন্দ করতে গিয়ে দেখলেন....
১ম ফ্লোরে লেখা আছে-- এখানের পুরুষরা চাকুরীজীবী ও তারা ঈশ্বরে বিশ্বাসী।
মহিলাটি তারপর দ্বিতীয় ফ্লোরে গেলেন। ২য ফ্লোরে লেখা আছে-- এখানের পুরুষরা চাকুরিজীবি, ঈশ্বর বিশ্বাসী ও শিশু প্রেমিক।
মহিলাটি ধীরে ধীরে ৩য ফ্লোরের দিকে অগ্রসর হলেন...
৩য ফ্লোরে লেখা আছে- এখানের পুরুষরা চাকুরিজীবি, ঈশ্বর বিশ্বাসী, শিশু প্রেমিক ও খুব রুপবান।
মহিলাটি আরেকটু ভালো পতি নির্বাচনের আশায় ৪র্থ ফ্লোরে গেলেন...
সেখানে লেখা রয়েছে-- এখানের পুরুষরা চাকুরিজীবি, ঈশ্বর বিশ্বাসী, শিশু প্রেমিক, রুপবান এবং তারা স্ত্রীকে গৃহ কর্মে সাহায্য করতেও আগ্রহী।
যতই উপরের দিকে যাচ্ছেন গুণধর পতিদের সন্ধান মিলছে দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে মহিলা ৫ম ফ্লোরের দিকে পা বাড়ালেন ...
সেখানে লেখা রয়ছে --
এখানের পুরুষরা চাকুরিজীবি, ঈশ্বর বিশ্বাসী, শিশু প্রেমিক, রুপবান, তারা স্ত্রীকে গৃহ কর্মে সাহায্য করতেও আগ্রহী আর তারা খুব রোমান্টিক ভাবনার পুরুষ।
এখানেই মহিলাটির শেষ গন্তব্য হওয়া উচিত ছিল,
কিন্তু তবু তিনি ৬ নং ফ্লোরে গেলেন আরো গুণধর পতির সন্ধানের আশায়।
.
.
.
সেখানে লেখা রয়েছে-- "দু:খিত আপনি এখানের ৪৩৬৩০১২৩ নম্বর visitor. যারা নিজের জন্য পতি নির্বাচনের বাসনা নিয়ে এখানে এসেছিলেন,
কিন্তু দু:খিত এখানে নির্বাচন করার মত কোন পুরুষ নেই। এই ফ্লোরটা আমাদের শো-রুমের কোন অঙ্গ নয়। এই ফ্লোরটা রাখা হয়েছে শুধু এটা প্রমান করার জন্য যে মেয়েদের সন্তুষ্ট করাটা কতবড় একটা অসম্ভব ব্যাপার।

তারা যখন অজ্ঞান হয়ে পড়ে তখন তাদের চুল কাটা হয়ে গেছে



হরিয়ানা এবং রাজস্থান উত্তর ভারতীয় রাজ্যের 50 টিরও বেশি মহিলা রিপোর্ট করেছেন যে তারা যখন অজ্ঞান হয়ে পড়ে তখন তাদের চুল কাটা হয়ে গেছে। বিবিসির উন্নয়ন পান্ডে জানায়, নারীরা ক্ষতিকারক এবং চিন্তিত রহস্যের রহস্যের সমাধান করতে পুলিশ চেষ্টা করছে।
হরিয়ানাের গুরগাঁও জেলার ভীমগড় খেরি এলাকার 53 বছর বয়েসী গৃহবধূ সুনিতা দেবী বলেন, "একটি আলোর জ্বলন্ত আলো আমাদের অজ্ঞান করে রেখেছিল। এক ঘণ্টা পরে, আমি দেখলাম যে, আমার চুলও আটকানো হয়েছে"।
শুক্রবার "আক্রমণ" তার traumatized বাকি আছে।
তিনি বলেন, "আমি ঘুমাতে বা কিছুটা মনোনিবেশ করতে পারছি না। রাজস্থানে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে, কিন্তু আমার মনে হয় না যে এটা ঘটবে।"
"ফ্যান্টম barbers" এর রিপোর্টগুলি রাজস্থান থেকে জুলাই মাসের প্রথম দিকে এসেছিল, কিন্তু একই রকম ঘটনাগুলির একটি হরতালের খবর পাওয়া যাচ্ছে এবং এমনকি দিল্লি রাজধানীও।
সুনিতা দেবী ব্যবসায়ী ও চাষীদের ঘনিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর মধ্যে বসবাস করেন।
তার প্রতিবেশীদের মধ্যে কেউ কেউ তার সাথে থাকার জন্য তার দিকে ফিরে তাকায় না যতক্ষন না সে শক থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়।
তিনি বলেন তার আক্রমণকারী একটি বয়স্ক মানুষ ছিল "উজ্জ্বল রংয়ের পোশাক পরা"।
"আমি বাড়ির ভিতরের তলায় একা ছিলাম, এবং আমার পশুর নাতি ও নাতি ছিল ঊনবিংশ শতাব্দীর কাছাকাছি সময়ে।"
তারা দেখেছিল এবং কিছুই শুনিনি।চিত্রের শিরোনাম মুনেশ দেবী বলেছেন সমাজে ভয় আছে
রহস্যটা গভীর হয়ে যায় যখন আমি জিজ্ঞাসা করি যে অন্য কেউ আক্রমণকারী দেখেছে।
সুনিতা দেবীের প্রতিবেশী মুন্নেশ দেবী বলেছেন যে, সংকীর্ণ গলিটি প্রায় ২0 টি ঘর আছে, যা সাধারণত ২1:00 এবং ২২.২0 এর মাঝামাঝি হয়।
"লোকজন রাতের খাবারের পর একসাথে কথা বলতে ও শিথিল করার জন্য একত্রিত হয়। শুক্রবার কোনও আলাদা ছিল না, কিন্তু আমাদের কেউই কোন অজানা ব্যক্তিকে সুনিতার ঘরে প্রবেশ বা বেরিয়ে আসতে দেখেনি"।তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো:

    
বুরকাস বা বাস আসন? কিভাবে একটি ফটো একটি ইন্টারনেট আলোড়ন সৃষ্টি করে
    
গ্রহ সুরক্ষা সংস্থান চাই, উদার বেতন
    
ডায়েরি মার্কিন মহিলার শেষ আকাঙ্ক্ষা মৃত্যুর অনুদান
এবং এটি সেখানে শেষ না
মাত্র কয়েক গজ দূরে, গৃহকর্তা আশা দেবী পরের দিন একই রকম আক্রমণে তার চুল হারিয়েছেন।
কিন্তু এই সময় হামলাকারী একজন মহিলা বলেছিলেন
আশা দেবী এর শ্বশুর, সুরজ পাল, এই ঘটনার পর, তিনি উত্তর প্রদেশের একটি আত্মীয়ের বাড়ির কাছে তার পরিবার এবং তার পরিবারের অন্যান্য মহিলাকে পাঠিয়েছিলেন।
"আক্রমণের পর তারা এত বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিল, আমি তাদেরকে কয়েক সপ্তাহের জন্য দূরে থাকতে বলেছিলাম। সম্প্রদায়ের মধ্যে ভয় আছে," তিনি বলেন।
জনাব পল বলেছেন, আশপাশ দেবী ২২.২0 এর কাছাকাছি একটি ঘরের কাজ সম্পন্ন করার জন্য বাইরে গিয়েছিলেন।
"আমি 30 মিনিটেরও বেশি সময় ধরে ফিরে আসিনি যখন তাকে খুঁজে বের করতে বাইরে গিয়েছিলাম। আমরা তার বাথরুমে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পেলাম। তার চুল কাটা এবং মাটিতে ছুঁড়ে ফেলা হয়েছিল," তিনি বলেন।চিত্র কপিরাইট EPAদিল্লিতে ছবির ক্যাপশন হামলাও হয়েছে
তিনি যোগ করেন যে আশায় এক ঘণ্টা পরে চেতনা লাভ করে এবং তাকে বলে যে একজন মহিলা তার উপর হামলা করেছে।
"তিনি আমাকে বলেছিলেন যে সবকিছু 10 সেকেন্ডের কম সময়ে ঘটেছে," তিনি বলেন।
গুড়গাঁও থেকে 70 কিলোমিটার (43 মাইল) কাছাকাছি - রেওয়ারী জেলার গ্রামীণ এলাকায় আমি একই রকম অবস্থা দেখেছি। এই কয়েক:

    
জনাওয়াসা গ্রামের ২8 বছর বয়সী রেনা দেবী বলেন, বৃহস্পতিবার তাকে আক্রমণ করা হয়েছিল। এবং আক্রমণকারী এই সময় একটি বিড়াল বলে মনে হচ্ছে। তিনি বলেন, "আমি আমার কাজগুলো করছিলাম যখন আমি একটি বড় আকৃতির একটি বিড়ালের মতো দেখেছিলাম। তারপর আমি অনুভব করলাম যে কেউ আমার কাঁধে স্পর্শ করছে, আর এটাই আমার শেষ কথা," সে বলে। তিনি সম্মত হন যে তার "গল্প বিশ্বাস করা কঠিন"। "আমি জানি এটা অসম্ভব বলে মনে হচ্ছে কিন্তু আমি দেখেছি যে কিছু মানুষ বলেছে আমি আমার চুল কাটতেছি, কিন্তু কেন আমি তা করব?" সে জিজ্ঞাস করলো.
    
শনিবার সকালে খোরখারী গ্রামে সুদর্শন দেবী (60) সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তিনি বলেন, "আমি একজন প্রতিবেশীর ঘরে গিয়েছিলাম যখন কেউ আমার পিছন থেকে কাঁধে চাপ দিয়েছিল। আমি যখন ফিরে তাকালাম তখন কেউ ছিল না।
    
রিমা দেবী, ২8, বলেন, বৃহস্পতিবার তার ফোনে একটি খেলা খেললে তার চুল কাটল। "আমার স্বামী এবং ছেলেমেয়েরাও রুমের মধ্যে ছিল। আমি আমার চুলের টান অনুভব করেছিলাম এবং যখন আমি পিছন ফিরে তাকালাম তখন আমার চুল মাটিতে ছিল।"
'গণ বিক্ষোভ'
গুরগাঁও পুলিশ মুখপাত্র রবিন্দ্র কুমার বলেন যে অভিযোগের তদন্ত করা হচ্ছে।
"এই বিস্ময়কর মামলা। আমরা অপরাধের দৃশ্যগুলিতে কোন সূত্র খুঁজে পাইনি, শিকারের মেডিকেল পরীক্ষাগুলি অস্বাভাবিক কিছু দেখায় না", তিনি বলেন, যে কেউ আক্রমণাত্মক আক্রমণাত্মক দেখেছি বলে মনে হচ্ছে না।
শ্রীমতি কুমার বলেন যে বিভিন্ন জেলার পুলিশ এই ঘটনার "কিছু জ্ঞান" প্রচেষ্টা সমন্বয় সাধন করছে।
"শুধুমাত্র শিকার বলছেন যে তারা আক্রমণকারীদের উপস্থিতি দেখেছে বা অনুভব করেছে। আমরা এই ক্ষেত্রে নিচের দিকে আছি, কিন্তু তখন পর্যন্ত, আমি জনগণকে গুজবগুলির মধ্যে বিশ্বাস করতে উদ্বুদ্ধ করতে চাই না"।ছবিটির শিরোনাম সুন্দরবন, 60, শনিবারে শনিবারের হামলা থেকে বেদনাদায়ক হয়েছেচিত্র কপিরাইট EPAচিত্র ক্যাপশন দিল্লির কিছু অংশে নারী তাদের চুল রক্ষা করার জন্য দেবতাদের ছবি সম্বলিত ব্যান্ড ব্যবহার করছে
এবং গুজরাট সংক্ষিপ্ত সরবরাহ না।
আমি এক গ্রাম থেকে অন্য দেশে ভ্রমণ করছিলাম, আমাকে আক্রমণের জন্য বিভিন্ন তত্ত্ব দেওয়া হয়েছিল।
এক গ্রামে, একজন বয়স্ক মানুষ